ঈদ মানে আনন্দ। ঈদ মানে খুশির দিন। আর সেই ঈদের নামাজ এবারও পড়বে পাকা ছাদের ঈদগাহ মাঠের উপর। এ আনন্দের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই উৎসাহ উদ্দিপনার সৃষ্টি হচ্ছে। এ আনন্দ সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার ৩ গ্রামবাসীর। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পশ্চিমাঞ্চলের বড় পাঙ্গাসী ইউনিয়নের নরসিংহপাড়া, শুকলাই ও শুকুল হাট এবং এ তিন গ্রাম জুড়ে ফসলের মাঠ। যেদিকে চোখ যায় সেদিকে সবুজের সমারোহ। কিন্তু প্রতি বছর বর্ষাকালের শুরু থেকেই তলিয়ে থাকে বন্যার পানিতে। এ জন্য ব্যারিস্টার রওশন-জাহান ফাউন্ডেশন ও ওই ৩ গ্রামবাসীর অর্থে নির্মাণ করা হয় ছাদ ঈদগাহ মাঠ। গত ২০১৫ সালের ২৩ অক্টোবর এ নির্মাণ কাজ শুরু করা হয় এবং ৫৬ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ কাজ শেষে ২০১৯ সাল থেকে এ ঈদগাহ মাঠে ঈদের নামাজ আদায় করছে ওই ৩ গ্রামবাসী। এ ঈদগাহ মাঠের চারদিকে আবাদী মাঠ। এরই মাঝে তিন গ্রামের সীমানা এলাকায় এ পাকা ছাদের ঈদগাহ মাঠ নির্মাণ করা হয়েছে। এ ঈদগাহ মাঠ বহু সংখ্যক পিলারের উপর দোতলা করে নির্মাণ করা হয়েছে। এ পাকা ছাদ মাঠে একসাথে প্রায় আড়াই হাজার মুসুল্লী নামাজ পড়তে পারবেন এবং শুকনো মৌসূমে প্রায় ৫ হাজার মুসল্লী এক জামাতে ঈদ নামাজ পড়তে পারবেন। এ ছাদ ঈদগাহ মাঠ নির্মাণের মূল পরিকল্পনাকারী হলেন সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও জ্যোতি প্রকাশের প্রকাশক মোস্তফা জাহাঙ্গীর আলম। স্থানীয়রা বলেন, তার অবদান ও গ্রামবাসীর সহযোগীতায় এ মাঠটি নির্মাণ হয়েছে। ওই ঈদগাহ মাঠে এখন ঈদের নামাজ আদায় করতে কোনো অসুবিধা নেই। তিন গ্রামবাসী আনন্দ মনে এ মাঠে ঈদের নামাজ পড়েন। এছাড়া এখানে তিন গ্রামের জানাযা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।